গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি বলেছেন, "আমরা যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণ–অভ্যুত্থান সফল করেছি, ঠিক সেভাবেই ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠন করবো। জাতি এক থাকলে দেশ এগিয়ে যাবে। জুলাই বিপ্লবকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।"
২৬ মার্চ, বুধবার চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইফতার ও দোয়া মাহফিলে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার যুগ্ম সদস্য সচিব সানাউল্লাহ মির্জা। এসময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব সাগুফতা বুশরা মিশমা।
বক্তব্যে সাগুফতা বুশরা মিশমা বলেন, "গণ–অভ্যুত্থান–পরবর্তী বাংলাদেশে মতপার্থক্য থাকলেও জাতির স্বার্থে ও মানুষের অধিকারের প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জুলাই আন্দোলনের মতো যদি সবাই এক থাকে, তাহলে দেশের চলমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।"
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সদস্য মিজানুর রহমান খোকার সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউর রহমান,
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক আব্দুর রহমান,
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম আহ্বায়ক আল মামুন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক রিদুয়ান সিদ্দিকি, দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক জুবায়ের হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার, বিএনপির প্রতিনিধি সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম এ মহিউদ্দিন, কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতের আমীর মনির আবছার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সড়ক পরিবহন দলের নগর আহ্বায়ক আলহাজ্ব ফারহাদ উদ্দীন সোহাগ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক প্রান্ত বড়ুয়া, মহানগর মুখপাত্র ফাতেমাহ খানম লিজা,দক্ষিণ জেলার মুখপাত্র মাহবুবা ইলা খাদিজা, বিএনপি নেতা জি এম জসিম, নুরুল ইসলাম মেম্বার, শ্রমিক নেতা ফারুক হোসেন, এনসিপি নেতা ওপেল, রাব্বি, পিয়াল, ওয়ারিস অব জুলাই এর কেন্দ্রীয় সদস্য জাবেদুল ইসলাম প্রমুখ
এই ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।