
মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী (মিকাঈল), ক্রাইম রিপোর্টার : মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৭নং চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের ছালামিটিলা আশ্রয়ন প্রকল্পে সরকারি বরাদ্দ পাওয়া ২৫টি ঘরের মধ্যে কয়েকটি ঘর বহুদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিরা এসব ঘরে বসবাস না করে শুধু কয়েক মাস পরপর তালা খুলে দেখেশুনে চলে যান।
অভিযোগ রয়েছে , ঘরগুলো ব্যবহৃত না হওয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে । অথচ একই ইউনিয়নে অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার রয়েছে। অথচ এসব ঘর বরাদ্দ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে থালা বদ্ধ করে রেখেছে।
বিশ্বস্ত একাধিক সূত্রে জানা গেছে, পরিত্যক্ত ঘরগুলোর মধ্যে কয়েকজন বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তি গোপনে ঘর বিক্রির চেষ্টা করছেন, যা আশ্রয়ন প্রকল্পের নিয়ম বহির্ভূত এবং গুরুতর অনিয়ম ও আইনের পরিপন্থী ।
ভূমিহীনরা দাবি করছেন —
পরিত্যক্ত ঘরগুলোর অবস্থা যাচাই করে যাদের সামর্থ্য আছে, যারা ঘরে থাকছেন না এবং যারা অবৈধভাবে বিক্রির চেষ্টা করছেন তাদের ঘর বরাদ্দ বাতিল করে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে ঘরগুলো পুনঃবরাদ্দ দেয়া হোক।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জানান ,
ছালামিটিলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের বেশ কয়েকটি ঘর বিক্রির চেষ্টা চলছে। তারা বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকে ঘরে সামান্য জিনিস রেখে কেবল মালিক হয়ে আছেন। ৩/৪ মাস পরপর এসে শুধু খুলে দেখে আবার তালা মেরে চলে যান৷
আরেকটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, বরাদ্দ নেয়ার পর থেকে যেসব ঘর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে সেসমস্ত ঘরের মালিকেরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ৮/১০ হাজার টাকা বাসা ভাড়া দিয়ে বসবাস করছেন।
“ উক্ত ইউপির একাধিক ভূমিহীন পরিবার রয়েছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ যদি সরজমিনে তদন্ত করে বিক্রির পায়তারা করা ঘরসহ যে ঘর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে সেসমস্ত ঘর প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে পূণঃবরাদ্দ দিলে ভূমিহীনরা উপকৃত হবে।
“দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। যাতে আইন পরিপন্থী কাজ কেউ করতে না পারে এবং যোগ্য ভূমিহারা পরিবার আশ্রয় পায়।”
বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল ।
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.